{
    "componentChunkName": "component---src-pages-inclusive-stories-js",
    "path": "/bn/inclusive-stories/elation-sultan",
    "result": {"pageContext":{"language":"bn","pathURL":"elation-sultan","isDefaultLanguage":false,"storyData":{"Name":"এলেশন সুলতান","Alt_Photos":null,"Alt_Text_Photo1":"Elation Sultan (9) grins broadly as he sits on a black scooter facing the camera. He has black, closely cropped, stubbly hair. The bottom half of his body is hidden by the scooter’s handlebar. He wears a pale blue sleeveless cotton banian. His right hand presses against the rear of the handlebar and his left hand holds his mother’s shoulder. His mother Eleaner (36) grips his left upper arm with her right hand as she turns sideways to look at him. She wears a three-fourth-sleeved, square-necked, scarlet maxi dress with a white bandhani (tie-and-dye) pattern.","Alt_Text_Photo2":"Elation, wearing a mustard half-sleeved shirt, sits inside a blood-red toy jeep in the corner of a room with lemon-yellow walls and beige-tiled floor. Hi arms are outstretched as he holds the sides of the jeep with both hands.","Alt_Text_Photo3":"Elation, wearing a smoky-grey T-shirt and charcoal grey shorts, sits on a teakwood double-sofa. The sofa seat cushion cover is a blood-red fabric printed with a large cream honeycomb design. The back cushion cover is a smoky grey fabric printed in a pink and maroon floral design. Elation’s right hand is on the armrest. His left hand rests on a velvet plush toy dog with a light brown barrel-shaped body and cream paws. The drawn curtain of the window behind the sofa is a scarlet semi-transparent fabric that turns magenta where sunlight shines through.","Alt_Text_Photo4":"Elation, wearing his mustard shirt paired with charcoal grey shorts, sits on a bed with both legs folded at the knee and feet pointing sideways. Both his hands rest on a notebook touching his right knee. The bedsheet is sky blue with a pattern of small red flowers and black leaves. In the lemon-yellow wall behind the bed there is a window with a scarlet curtain drawn over it.","Alt_Text_Photo5":"Elation and Eleaner sit side by side on a sofa. Both of them are beaming broadly. He wears his smoky grey T-shirt and charcoal grey shorts. She wears her scarlet maxi dress. They are sitting on the wooden sofa with the red and cream honeycomb seat cushion and grey floral-printed back cushion. Elation, looking at the camera, has lifted both hands in a clapping motion while Eleaner, looking at her son, has clapped her palms together. Behind them is the scarlet curtain in the lemon-yellow wall.","Alt_Text_Video":null,"Photo1_URL":"https://egsweb.s3.ap-south-1.amazonaws.com/Elation_Sultan/_O2A6579.jpg","Photo2_URL":"https://egsweb.s3.ap-south-1.amazonaws.com/Elation_Sultan/_O2A6421.jpg","Photo3_URL":"https://egsweb.s3.ap-south-1.amazonaws.com/Elation_Sultan/_O2A6550.jpg","Photo4_URL":"https://egsweb.s3.ap-south-1.amazonaws.com/Elation_Sultan/_O2A6429.jpg","Photo5_URL":"https://egsweb.s3.ap-south-1.amazonaws.com/Elation_Sultan/_O2A6504.jpg","Name_English":"Elation Sultan","Language":"bn","Disability":["rec7A9ja8evrPZRyy"],"Gender":"Male","Instagram_Content":null,"Quote":"“আমি সব সময় টিভি দেখতে চাই। হঠাৎ জোরে শব্দ হলে আমি ভয় পাই”","Status":"Published","Video":null,"Website_Content":"এলেশন সুলতান (৯) রাতে তার বাবার গাড়ি বাড়িতে ফেরার শব্দ চিনতে পারে। গাড়ির শব্দ শুনলেই সে “হুমম, ম্মম” করে ইঞ্জিনের আওয়াজ নকল করতে শুরু করে এবং মুখে বড় একটি হাসি নিয়ে শরীর টেনে দরজার দিকে এগিয়ে যায়। দক্ষিণ আন্দামানের চৌলদারি গ্রামের বাসিন্দা এলিয়েনার ও এডউইনের দ্বিতীয় সন্তান এলেশন। একাধিক প্রতিবন্ধকতার কারণে সে প্রায় সম্পূর্ণভাবে ঘরবন্দি জীবনযাপন করে।\n\nদ্বিতীয় সন্তানের জন্ম হলে মা স্বাভাবিকভাবেই তাকে প্রথম সন্তানের সঙ্গে তুলনা করেন। এলিয়েনারের ক্ষেত্রেও তাই হয়েছিল। এডুর জন্মের চার বছর পরে এলেশনের জন্ম হয়। ছয় মাস পার হয়ে গেলেও যখন সে শুধু চিৎ হয়ে শুয়ে থাকত এবং পাশ ফিরতে পারত না, তখন এলিয়েনার ও এডউইন তাকে “বড় হাসপাতালে” নিয়ে যান। সেখানে ডাক্তার বলেন, রোগ নির্ণয় করার জন্য তখনও সময় হয়নি; বয়স একটু বাড়লে আবার নিয়ে আসতে।\n\nএলিয়েনার স্মৃতিচারণ করে বলেন, “আমি ওকে বসতে সাহায্য করতাম। এক বছর বয়স হলেও সে নিজে খেতে পারত না বা অন্য বাচ্চাদের মতো কিছুই করতে পারত না। যখন ওর বয়স তিন বছর, তখন আঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের একজন শিক্ষিকা আমাদের ডাক্তার দেখানোর পরামর্শ দেন। ডাক্তার বলেন, ও মানসিকভাবে সুস্থ নয়। এরপর আমরা বড় হাসপাতালে যাই, সেখানকার ডাক্তাররাও একই কথা বলেন।”\n\nতবে বুদ্ধিবৃত্তিক প্রতিবন্ধকতাই এলেশনের একমাত্র সমস্যা নয়। দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করা এলিয়েনার কেবল বলতে পারেন, তার ছেলে কী কী করতে পারে না।\nতিনি বলেন, “ও হাঁটতে পারে না, কথা বলতে পারে না। ছোটবেলায় আমি ওকে ওয়াকার ব্যবহার করাতে চেয়েছিলাম, কিন্তু সে চিৎকার করে কাঁদত। ও নিজে বসতেও পারে না। আমাকে সব জায়গায় কোলে করে নিয়ে যেতে হয়।”\n\nযখন EGS-এর সাক্ষাৎকারগ্রহণকারী তাকে জিজ্ঞেস করেন এলেশন কখনও থেরাপি নিয়েছে কি না, তিনি বিস্মিত হয়ে জিজ্ঞেস করেন, “থেরাপি আবার কী?” ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করা হলে তিনি বলেন, “না, না, আপনি কী বলতে চাইছেন আমি বুঝতে পারছি না।”\n\nএডউইন ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাটালিয়নের (IRB) একজন পুলিশকর্মী। তারা সেই একই পুলিশ কোয়ার্টারে থাকেন যেখানে অভাষ মিন্জের বাবা-মা আনসোসনা কেরকেট্টা এবং কুলদীপ মিন্জও থাকেন। এডউইন ভোর ৬টায় কাজে বের হন এবং রাত ৯টার দিকে ফেরেন। কখনও কখনও ডেপুটেশনে গেলে টানা তিন মাসও বাড়ি ফিরতে পারেন না। ফলে তিন ছেলের—এলেশন, এডু এবং সাত বছরের ম্যাসি—প্রধান পরিচর্যাকারী হিসেবে এলিয়েনারকেই সব দায়িত্ব সামলাতে হয়।\n\nতিনি বলেন, “বাচ্চাদের দেখাশোনা, ঘরের কাজ আর এলেশনকে সামলানো মোটেও সহজ নয়। আমি ভোর ৪টায় উঠে স্বামীর জন্য দুপুরের খাবার তৈরি করি, ঘরের কাজ করি, তারপর এলেশনের যত্ন নিই।”\n\nআগে তার বোন এসে সাহায্য করতেন, কিন্তু এখন তিনি নিকোবর দ্বীপে বৃদ্ধ বাবার দেখাশোনা করেন। এলিয়েনার বলেন, “আমি বুঝি, সবারই নিজস্ব দায়িত্ব আছে। তাই খুব বেশি সাহায্য পাই না।”\n\nপ্রতিবেশী আনসোসনা প্রয়োজনে এলেশনকে দেখাশোনা করার প্রস্তাব দেন। কিন্তু এলিয়েনার বলেন, “আমার অপরাধবোধ হয়, কারণ তার নিজের সন্তানও আছে। তাকে কষ্ট দিতে চাই না। খুব দরকার না হলে আমি সাহায্য চাই না।”\n\nএডু এবং ম্যাসি সরকারি পোর্ট মাউট স্কুলে পড়ে, আর এলেশন বাড়িতেই থাকে।\nএলিয়েনার বলেন, “ও ক্ষুধা পেলে কাঁদে, তখন আমাকে খাইয়ে দিতে হয়। কখনও আমি ওর পাশে রুটির প্লেট রেখে দেখি, নিজে খেতে পারে কি না; কিন্তু সে খাবার ছুড়ে ফেলে দেয়। টয়লেটে যেতে হবে—এ কথাও সে জানাতে পারে না, তাই প্রায়ই প্যান্টে প্রস্রাব করে ফেলে। বাইরে গেলে আমরা ডায়াপার পরাই, কিন্তু সারাক্ষণ পরলে তার শরীরে র‍্যাশ হয়ে যায়।”\n\nমনে হয় এলেশনের সংবেদনজনিত (sensory) সমস্যা রয়েছে। হঠাৎ জোরে কোনো শব্দ—যেমন স্টিলের বাসন পড়ে যাওয়ার শব্দ—শুনলে সে কেঁদে ওঠে। জোরে শব্দের পাশাপাশি ঠান্ডাও তাকে অস্বস্তিতে ফেলে এবং সে কান্না শুরু করে।\nটিভিতে কোনো মজার কিছু দেখলে সে হাসে ও খিলখিল করে। আসলে সে সব সময় টিভি দেখতে চায়। কার্টুন নয়, এলিয়েনার যা-ই দেখুন না কেন, সেটাই দেখতে চায়। টিভি বন্ধ করে দিলে সে জোরে জোরে কাঁদতে শুরু করে।\n\nএডউইন বাড়ি ফিরলে ছেলেকে গাড়িতে করে একটু ঘুরতে নিয়ে যান। তবে এলেশন বেশিক্ষণ বসে থাকতে পারে না, তাই ঘোরাটা খুব সংক্ষিপ্ত হয়। বাড়ির ভেতরে সে তার ব্যাটারি চালিত খেলনা জিপে বসে থাকতে পছন্দ করে।\n\nদশম শ্রেণিতে পড়া এডু একজন দায়িত্বশীল ও চিন্তাশীল ছেলে। এলিয়েনার বলেন, “সে আমাকে কষ্ট করতে দেখে এবং ঘরের কাজে সাহায্য করে। সে তার দুই ভাইয়েরও খেয়াল রাখে। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও রান্নার কাজেও সাহায্য করে।”\nশেষে তিনি বলেন, “যদি এলেশনের জন্য একটি হুইলচেয়ার থাকত, তাহলে আমার জন্য অনেকটা সহজ হয়ে যেত।”\n","State_name":"আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ","Display_Order":260}}},
    "staticQueryHashes": []}